জ্যোৎস্নালোকে
তুমি গো আছ
মগন ঘুমে
ফুলের বিছানা’;
জানলা দিয়ে পড়িছে গিয়ে
আকুল জোছনা ।
এই সে ছিল চরণ ছুঁয়ে,
এক্টু কোণে, এক্টু নুয়ে,
এখন সে যে
হিয়ায় রাজে,
হরিণ-লোচনা !
সাহস পেয়ে, রয়েছে চেয়ে,
সন্ধ্যা থেকে আমার চোখে
ঘুমের নাহি লেশ ;
জ্যোৎস্নালোকে তোমায় দেখে
সুখের নাহি শেষ !
আমার ছায়া তোমার বুকে,
জ্যোৎস্না সাথে ঘুমায় সুখে,
জ্যোৎস্না সাথে নয়ন পাতে
রচিছে মায়া দেশ ।
সন্ধ্যা থেকে আমার চোখে
ঘুমের নাহি লেশ।
জ্যোৎস্নাটুকু মিলায়, বায়ু
দোলায় কেশ-পাশ,
এখনি তবে প্রভাত হবে,
জাগিবে রশ্মি-ভাস্ ।
ছিলনা বাধা, হরষ
মনে,
চাহিয়া ছিনু তোমার পানে,
বিজন গেহ ছিলনা কেহ
করিতে পরিহাস ;
জ্যোৎস্নাটুকু মিলায়, বায়ু
দোলায় কেশ-পাশ ।
সফল আজি জীবন মম,
সফল জোছনা,
সফল তব রূপের রাশি
কমল-লোচনা !
ধৌত করি তারার মালে,
ধৌত করি যুথির জালে,
পড়েছে ঝ’রে তোমারি’ পরে
অমর জোছনা ।
জ্যোৎস্না দেশে, রাণীর বেশে,
হরিণ-লোচনা !