যক্ষ-মূৰ্ত্তি
তা’রি মাঝে, দেখিলাম অপরূপ—
পাষাণে খোদিত,
এক মনোরম—মদনের যুপ !
মত্ত যক্ষ-রাজ,
মুরজার লাজ—
ভাঙিতে,
যতনে এত, তবু সে বিরূপ !
শিশু-কাম দিতেছে বসনে টান,
কুবের সাধিছে ধরি’—‘রতিফল’ করিবারে পান ;
বাধা দিয়া তায়—
দ্বিগুণ বাড়ায়,
আগুন জ্বলিলে আর নাহি পরিত্রাণ,
“কথা রাখ—আর ফিরায়োনা মুখ,
এবার—পড়েছ ধরা, সুখে যে দ্বিগুণ দেখি বুক !
মুখে শুধু রোষ,
মন পরিতোষ,
কি যে স্বভাবের দোষ—তবু দিবে দুখ !”
কত যুগ অমনি কেটেছে,
হায়,
সাধিতে বিরতি নাই, তবু মুখ কভু না ফিরায় !
তবু,
পেতে হাত—
কাটে দিন রাত,
মূলে সে হাবাত হ'লে, কি হ'ত উপায় ?
কত যুগ অমনি গিয়েছে চ'লে !
ধরিয়া রয়েছ,
তবু আনিতে পারনি তারে কোলে ;
আর তুমি,—পাশে,—
স্ফুরিত উল্লাসে,—
স্থির যে র'য়েছে আজো—সে পাষাণী ব'লে !